• বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:৩৩ পূর্বাহ্ন |
শিরোনাম :

কিশোরীকে ধর্ষণের হাত থেকে বাঁচালো কুকুর

কুকুরআন্তর্জাতিক ডেস্ক: রাত তখন পৌনে ১১টা। বইমেলা থেকে ফিরে টিনটিন নামের এক পোষা কুকুরকে নিয়ে হাঁটতে বেরিয়েছিল দ্বাদশ শ্রেণীতে পড়ুয়া এক কিশোরী। বাড়ির পিছন দিকের রাস্তায় সখের পোষ্যকে নিয়ে ঘুরছিল সে।

রাস্তায় টিম টিম করে আলো জ্বলছে। প্রতিবেশীরাও তখন অনেকে জেগে। কাছের এক বিয়ের অনুষ্ঠানগৃহে তখনও উত্সবের আবহ। আচমকাই অন্ধকার থেকে এক যুবক এসে তার মুখ চেপে ধরে। বাকি দু’জন তাকে টেনে নিয়ে যেতে থাকে কাছের এক নির্মীয়মান আবাসনের দিকে।

আর তখনই চিত্কার করতে শুরু করে টিনটিন। গর গর আওয়াজের সঙ্গে ডাক ছেড়ে চিত্কার করতে থাকে সে। টিনটিনের টানা চিত্কার শুনে উপরের জানলা দিয়ে মেয়েকে দেখার চেষ্টা করেন তার বাবা। মেয়ের মুখে হাত-চাপা দিয়ে টেনে নিয়ে যাচ্ছে তিন জন!

এর পরই তিনি সিড়ি দিয়ে নীচে নেমে আসেন। কিন্তু, বেরোবেন কী করে? মেয়ে বাইরে থেকে তালা দিয়ে হাঁটতে বেরিয়েছিল যে! এর পর তিনিও চিত্কার শুরু করে প্রতিবেশীদের ডাকতে থাকেন।

টিনটিনের চিত্কার প্রতিবেশীরা আগেই শুনতে পেয়েছিলেন। তা শুনে বাইরে বেরিয়ে আসেন অনেকে। কিন্তু, কিশোরীর বাবার চিত্কারে তারা দৌড়ে ঘটনাস্থলে যান। বিয়েবাড়ির নিরাপত্তা রক্ষী-সহ বেশ কয়েকজন দোকানদার ছুটে আসতেই তিন দুষ্কৃতী পালিয়ে যায়।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌছায়। পরে ওই কিশোরী পুলিশের সঙ্গে নির্মীয়মান আবাসনে গিয়ে দুই দুষ্কৃতীকে শনাক্ত করে। অন্য দুষ্কৃতীকে ওই রাতেই উল্টোডাঙা স্টেশন থেকে গ্রেফতার করা হয়।

কিশোরীর মা বলেন, ‘অবশ্যই টিনটিনের কারণে দুষ্কৃতীদের ধরা সম্ভব হল।’

ধৃতদের সকলের বয়স ২০ থেকে ২৫-এর মধ্যে। তাদের নাম তাপস দাস, দীপঙ্কর মণ্ডল এবং অতনু মণ্ডল। রবিবার তাদের আদালতে তোলা হলে ধৃতদের জেল হেফাজতের নির্দেশ হয়।

সূত্র: আনন্দবাজার পত্রিকা


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ